মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৪ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশনা মানলেন না কেউ!

ডেস্ক নিউজ

নওগাঁ দর্পন

প্রকাশিত : ১১:৩৪ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৯ সোমবার

ঢাকায় যাতে কেউ যত্রতত্রভাবে পশু কোরবানি না করেন এ জন্য ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ৬৪৫টি স্থান নির্ধারণ করে দেয়া হয়। স্থানগুলো ত্রিপাল এবং বাঁশের খুঁটি দিয়ে তৈরি করা। তাদের এ উদ্যোগে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবছরও সারা দেয়নি রাজধানীবাসী। এসব স্থান পশুশূন্য দেখা যায়।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহজ করার জন্য সিটি কর্পোরেশন স্থানগুলো নির্ধারণ করেন। প্রতিবছর স্থানগুলোকে ঘিরে তাদের প্রস্তুতিও থাকে। প্রত্যেকটা স্থানের জন্য আলাদা আলাদা পরিচ্ছন্নতাকর্মীও রাখা হয়। গত কয়েকবছর ধরে পশু কোরবানির স্থান নির্ধারণের কাজ করে আসছে দু সিটি কর্পোরেশন।

এসব পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বলেন, পশু জবাই করলে সহজে বর্জ্য পরিস্কার হয়ে যেত। কারণ স্থানগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে সেভাবেই। কিন্তু নগরবাসী এসব স্থানে পশু জবাই করেন না। রাস্তার পাশে যত্রতত্র পশু কোরবানি করলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনেক বেগ পেতে হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানির জন্য নির্ধারিত স্থানে পশু নিয়ে যাওয়া সহজ হলেও মাংস নিয়ে আসা অনেক কঠিন। আর এসব স্থানের সুযোগ সুবিধা নিয়ে তেমন প্রচারও হয় না।

রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করার আগ্রহ দেখা যায়নি। অথচ আশপাশের প্রায় প্রতিটি বাড়ির সামনে ও বাড়ির গ্যারেজে গরু জবাই করতে দেখা গেছে।

নিউ ইস্কাটন এলাকার বাসিন্দা আমিনুর ইসলাম বলেন, প্রতিবছর এলাকার ইস্পাহানি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনেই প্যান্ডেল টাঙানো হয়। অনেকে এটার ভেতর গরু বেঁধে রাখেন। অনেক সময় এটি খালি দেখা যায়। আমি এ বছরই প্রথম জানলাম যে এটি কোরবানি দেয়ার নির্ধারিত স্থান।

রাজধানীর মালিবাগ এলাকার বাসিন্দা খন্দকার মালেক বলেন, কোরবানির জন্য নির্ধারিত স্থানে গিয়ে কোরবানির পর অতদূর থেকে মাংস নিয়ে আসতে অসুবিধা হয়। সে কারণে বাসার সামনেই কোরবানি করি।