সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ১ ১৪২৬   ১৬ মুহররম ১৪৪১

স্কুলশিক্ষকের পা ছুঁয়ে সালাম তথ্যমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ

নওগাঁ দর্পন

প্রকাশিত : ১০:১৯ এএম, ১০ আগস্ট ২০১৯ শনিবার

চট্টগ্রামে প্রবীণ স্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের চরণধূলি নিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রামে প্রবীণ স্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের চরণধূলি নিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রামে প্রবীণ স্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের চরণধূলি নিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।  শুক্রবার সকালে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার ওই শিক্ষকের বাসায় তাকে দেখতে গিয়ে পা ছুঁয়ে সালাম করেন তথ্যমন্ত্রী। প্রিয় ছাত্রকে কাছে পেয়ে চোখের জল আটকাতে পারেননি প্রবীণ শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক। 

চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম হাইস্কুলের ছাত্র থাকাকালীন ড. হাছান মাহমুদ পেয়েছিলেন ইংরেজির শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের সান্নিধ্য। প্রিয় শিক্ষকের পাঠদানে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে থাকতেন শিক্ষার্থীরা। সেসব স্মৃতি আজও ভোলেননি ড. হাছান।

আলাপচারিতায় হাছান মাহমুদের কাছে শিক্ষক জানতে চান, তার ছেলেমেয়ে ক'জন? মন্ত্রী বলেন, 'আমার এক ছেলে, দুই মেয়ে। ছেলে পড়ছে ষষ্ঠ শ্রেণিতে। এক মেয়ে এ-লেভেলে পড়ছে।'

এ সময় তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, মুসলিম হাইস্কুলে এখন পড়ালেখার মান কেমন? শিক্ষকের উত্তর, 'খুব ভালো। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়র মধ্যেই থাকে। পাসের হার শতভাগ বলা যায়।' তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামে মুসলিম হাইস্কুল, কলেজিয়েট ও খাস্তগীর সবচেয়ে ভালো স্কুল। দেশের সরকারি প্রাইমারি স্কুলগুলোও ভালো।

তথ্যমন্ত্রীকে আগামীতে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান শিক্ষক ইসহাক। তথ্যমন্ত্রী তাকে বলেন, 'স্যার আগে সাইকেল চালাতেন, এখনও চালান?' শিক্ষকের জবাব আসে, 'অনেকদিন ধরে চালাই না।'

মোহাম্মদ ইসহাক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স করার পর বৈরুতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে একই বিষয়ে এমএ ডিগ্রি নেন। এর পর যুক্ত হন শিক্ষকতায়। তিনি ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত মুসলিম হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন, ছিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকও।

চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল থেকে ১৯৭৮ সালে এসএসসি পাস করেন ড. হাছান মাহমুদ। তিনি নিজেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন।