শনিবার   ১৯ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৩ ১৪২৬   ১৯ সফর ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
১০০

৩ সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে বিভক্তির দোলাচলে বিএনপি

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০১৯  

জনসমর্থন হারিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর এবার ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বিএনপি। নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বর্জন নিয়ে এরইমধ্যে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে কেন্দ্র।

সংসদ ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রায় প্রতিনিধি শূন্য হয়ে পড়ায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের পক্ষেই বেশি রায় দিয়েছেন দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তবে চূড়ান্ত রায় লন্ডন থেকে আসলেই তিনটি সিটির বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করবে বিএনপি। বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে আলাপ করে এমন সংশয় ও সম্ভাবনার বিষয়ে জানা গেছে।

এ বিষয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজয় ঘটলেও সংসদে যোগ দেওয়ায় সিটি নির্বাচনের ইতিবাচক মনোভাব কাজ করছে হাইকমান্ডের। উপজেলা নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি চরম ভুল করেছে। এতে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব হারিয়েছে দল। যার কারণে তৃণমূলে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না বিএনপি। এছাড়া এই তিন সিটি বিএনপির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত ঢাকার দুই সিটিতে যদি বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হন, তাহলে রাজধানীতে আন্দোলন কর্মসূচি জমানো সহজ হবে।

তিনি আরো বলেন, যদিও সিটি করপোরেশনগুলোতে অংশগ্রহণ নিয়ে দলে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। নেতারা দলীয় জয়ের বিষয়ে সন্দিহান হয়েই এমন ভুল-ভাল কথা বলছেন। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিদ্ধান্ত দিলেই প্রার্থী বাছাই ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।

এদিকে এ প্রসঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ করে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, উপজেলা নির্বাচন বর্জন করে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করা হবে। এছাড়া দল গোছানো বাদ দিয়ে শুধু পদ-পদবির পেছনে ছুটলে খুব বেশি উপকার পাওয়া যাবে না। দল শক্তিশালী হলে পরবর্তীতে যেকোনো পদ আদায় করা সম্ভব। ছেড়া কাঁথায় ঘুমিয়ে আপাতত রাজপ্রাসাদের স্বপ্ন না দেখাটাই বিএনপির জন্য উত্তম হবে।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর