ব্রেকিং:
পোরশার হাপানিয়া সীমান্ত থেকে সাত বাংলাদেশীকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটের আগ্রাদ্বিগুন বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ পুলিশ নিহত ধামইরহাটের গকুল গ্রাম থেকে গলায় ফাঁশ দেওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
১৫

সারের দাম কমানোর কথা ভাবছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৯  

কৃষকদের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে সরকার সব ধরনের সারের দাম কমানোর কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি জানান, সারের দাম কমাতে ধানমন্ডির কার্যালয় এবং অর্থনৈতিক ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠানো হবে। সারে যদি প্রণোদনা দেওয়া হয়, তবে সব কৃষকই সে সুফল পাবে। 
 
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির এক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। বর্তমান সারের মজুতের তথ্য তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ২৪ লাখ ৩২ হাজার টন সারের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে টিএসপি ৩ লাখ ৪৯ হাজার টন, ডিএপি ৫ লাখ ৯৭ হাজার টন, এমওপি ৭ লাখ ১৫ হাজার টন ও ইউরিয়া সার রয়েছে ৭ লাখ ৭১ হাজার টন। দেশে বছরে ৫০ লাখ টন সারের চাহিদা রয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় সব সারের মজুতই এবার বেশি রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ডিসেম্বর শেষে বোরো মৌসুম শুরু হবে। মূলত এ সময়ে সারের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। এ সময়ে সারের কোনো সংকট হবে না। 

ধানের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বছর ৬ লাখ টন ধান কেনা হবে সরাসরি চাষির কাছ থেকে, যা বাংলাদেশে অতীতে কোনোদিন হয়নি। গত বোরো মৌসুমে আমরা ৪ লাখ টন ধান কিনেছি, যা কেনার কথা ছিল দেড় লাখ টন। আগামী ২০ তারিখ থেকে আমন ধান কেনা শুরু হবে। আমরা মূলত প্রান্তিক চাষির থেকেই ধান কিনব। লটারি করে তাদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। আমন মৌসুমে যাদের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে বোরো মৌসুমে ধান কেনা হবে না। এভাবে আমরা মোটামুটি সব চাষিকে সুযোগটা দিতে চাই।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর