ব্রেকিং:
রাণীনগরে উদ্ধার করা মূর্তি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তর বদলগাছীতে ইয়াবা সম্রাট ইউনুছ গ্রেপ্তার পোরশায় ২৮ জনের করোনা জয় আত্রাই-রাণীনগর এখন সম্প্রীতিময় এলাকায় পরিচিত : এমপি ইসরাফিল দেশের সকল দূর্যোগে একমাত্র আ’লীগ মানুষের পাশে থাকে- খাদ্যমন্ত্রী ড্রাগন ফলে রঙিন নওগাঁর রাণীনগর করোনা উপসর্গে মান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান রাণীনগরে বাড়ছে নদীর পানি, বেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্ক ! বদলগাছীতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বাড়ি পেলেন ১৫ আদিবাসী আত্রাইয়ে পৃথক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও ১০ জুয়াড়ি আটক ধামইরহাটে আউস প্রনোদনায় অনিয়মের অভিযোগ নওগাঁয় মৃত্যুর ৮দিন পর রিপোর্ট পজেটিভ, নতুন শনাক্ত ১৮ মান্দায় ফেনসিডিলসহ আটক ২ ধামইরহাটে নেশার ইনজেকশনসহ মাদকবিক্রেতা আটক মান্দায় দু’বছরেও মেরামত হয়নি শিব নদীর ভেঙ্গে যাওয়া বেরিবাঁধ! নওগাঁয় সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ সাপাহারে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও একদিনে করোনা আক্রান্ত ৮ আত্রাইয়ে করোনা মহামারী প্রতিরোধে ভূমি সচিবের মতবিনিময় ধামইরহাটে দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন ১২ জন করোনায় আক্রান্ত নিয়ামতপুরে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে মতবিনিময় পোরশায় করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৩৪ মুজিববর্ষে বেকারদের জন্য আসছে বঙ্গবন্ধু যুব ঋণ প্রকল্প নদী ভাঙ্গনের কবলে আত্রাইয়ের আটগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মহাদেবপুরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু রাণীনগরে ইয়াবাসহ আটক ৫, মোটরসাইকেল উদ্ধার নো মাক্স নো সেল : খাদ্যমন্ত্রী নিয়ামতপুরে স্বামীর উপুর্যপরি কেঁচির আঘাতে স্ত্রী খুন পোরশায় এনজিও প্রতিনিধির ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা নওগাঁয় সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস দিবস পালিত নওগাঁর শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের মানববন্ধন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন নওগাঁর গামছা বিক্রেতা মান্দায় পাট চাষিদের মাঝে সার বিতরণ পোরশায় ১৬ জনের করোনা পজেটিভ নওগাঁ জেলায় ৪ লাখ ২০ হাজার মেট্রিকটন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নওগাঁয় নতুন ৩৪ জন করোনা সংক্রমণ নওগাঁয় মৃত্যুর ৬ দিন পর রিপোর্ট এলো করোনা পজিটিভ মান্দায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ আত্রাইয়ে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক করোনায় আক্রান্ত নওগাঁর বদলগাছীতে মাদক কারখানার সন্ধান, আটক ১

মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ২৩ ১৪২৭   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
রাণীনগরে উদ্ধার করা মূর্তি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তর বদলগাছীতে ইয়াবা সম্রাট ইউনুছ গ্রেপ্তার পোরশায় ২৮ জনের করোনা জয় আত্রাই-রাণীনগর এখন সম্প্রীতিময় এলাকায় পরিচিত : এমপি ইসরাফিল দেশের সকল দূর্যোগে একমাত্র আ’লীগ মানুষের পাশে থাকে- খাদ্যমন্ত্রী ড্রাগন ফলে রঙিন নওগাঁর রাণীনগর করোনা উপসর্গে মান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান রাণীনগরে বাড়ছে নদীর পানি, বেড়িবাঁধ নিয়ে আতঙ্ক ! বদলগাছীতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বাড়ি পেলেন ১৫ আদিবাসী আত্রাইয়ে পৃথক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও ১০ জুয়াড়ি আটক ধামইরহাটে আউস প্রনোদনায় অনিয়মের অভিযোগ নওগাঁয় মৃত্যুর ৮দিন পর রিপোর্ট পজেটিভ, নতুন শনাক্ত ১৮ মান্দায় ফেনসিডিলসহ আটক ২ ধামইরহাটে নেশার ইনজেকশনসহ মাদকবিক্রেতা আটক মান্দায় দু’বছরেও মেরামত হয়নি শিব নদীর ভেঙ্গে যাওয়া বেরিবাঁধ! নওগাঁয় সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ সাপাহারে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও একদিনে করোনা আক্রান্ত ৮ আত্রাইয়ে করোনা মহামারী প্রতিরোধে ভূমি সচিবের মতবিনিময় ধামইরহাটে দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন ১২ জন করোনায় আক্রান্ত নিয়ামতপুরে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে মতবিনিময় পোরশায় করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৩৪ মুজিববর্ষে বেকারদের জন্য আসছে বঙ্গবন্ধু যুব ঋণ প্রকল্প নদী ভাঙ্গনের কবলে আত্রাইয়ের আটগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মহাদেবপুরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু রাণীনগরে ইয়াবাসহ আটক ৫, মোটরসাইকেল উদ্ধার নো মাক্স নো সেল : খাদ্যমন্ত্রী নিয়ামতপুরে স্বামীর উপুর্যপরি কেঁচির আঘাতে স্ত্রী খুন পোরশায় এনজিও প্রতিনিধির ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা নওগাঁয় সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস দিবস পালিত নওগাঁর শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের মানববন্ধন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন নওগাঁর গামছা বিক্রেতা মান্দায় পাট চাষিদের মাঝে সার বিতরণ পোরশায় ১৬ জনের করোনা পজেটিভ নওগাঁ জেলায় ৪ লাখ ২০ হাজার মেট্রিকটন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নওগাঁয় নতুন ৩৪ জন করোনা সংক্রমণ নওগাঁয় মৃত্যুর ৬ দিন পর রিপোর্ট এলো করোনা পজিটিভ মান্দায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ আত্রাইয়ে স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক করোনায় আক্রান্ত নওগাঁর বদলগাছীতে মাদক কারখানার সন্ধান, আটক ১ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)
১৪৩

শহীদ বুদ্বিজীবী দিবসের উপলব্ধি

ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯  

ডিসেম্বরের ষোল- বাঙালির ইতিহাসে সবচেয়ে গর্বের দিন, আর সেই সাথে আনন্দেরও। কিন্তু ষোল’র আনন্দ ম্লান হয়ে যায় চৌদ্দ’য় এসে। শোকের আবহে বাঙালি অবগাহন করে তার সবচেয়ে বড় বিজয়টিকে প্রতিটি বছর। একাত্তরের ন’টি মাসই গোটা বাংলাদেশ ছিল বিশাল এক বধ্যভূমি। ন’টি মাস জুড়েই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আর তাদের এদেশীয় দোসররা গোটা দেশজুড়ে হত্যা আর ধর্ষণের উন্মত্ততায় মেতেছিল। এর মধ্যেও ১৪ ডিসেম্বর একটু অন্যরকম, অনেক বেশি শোকের। ১৪ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে যে দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞ পাক সেনাবাহিনীর এদেশীয় দোসররা চালিয়েছিল তার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্নতর।

ডিসেম্বরের শুরুতেই ভারতের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তানি বিমানবাহিনী। ডুবন্ত মানুষের খড়কুটো আঁকড়ে বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা ছিল এটি। এর পরপরই সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যায় ভারত। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে-ই পাকিস্তানিদের কাছে এটা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছিল যে এই যুদ্ধে তাদের পরিণতি কি হতে যাচ্ছে। ইতিহাসে কখনই যা ঘটেনি, যার সাক্ষ্য দেয় না কোন ইতিহাসই কোনোদিনই, তা-ই ইতিহাস হতে চলেছিল।

সম্মিলিত বাংলাদেশ-ভারত মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তানের পরাজয় আর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় যে অত্যাসন্ন এই বুঝ তাদের ততদিনে ভালোই বুঝা হয়ে গিয়েছিল। তারা বুঝতে পারছিল চীনের হস্তক্ষেপ দুরাশা মাত্র আর কোনো কাজেই আসতে যাচ্ছে না মার্কিন সপ্তম নৌবহরও। এ সময় তাদের মূল লক্ষ্যই হয়ে দাঁড়ায় স্বাধীন বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর আর ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য যা কিছু সম্ভব তা-ই করা। আর এই পরিকল্পনার অন্যতম দিক ছিল বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড।

দেশের যারা বিবেক, যারা স্বাধীন দেশকে তাদের বিচার-বুদ্ধি-প্রজ্ঞা দিয়ে সঠিক পথে চালিত করবেন, তাদের অনুপস্থিতিতে দেশটা যে দিকভ্রান্ত হতে বাধ্য, এই অংক তাদের কষাই ছিল। আর তাই আত্মসমার্পণের ঠিক আগে আগে সারাদেশ থেকে দেশের যারা শ্রেষ্ঠ সন্তান, যে সব পেশাজীবীরা নিজ নিজ প্রজ্ঞায় পেশার ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও দশকে দিকনির্দেশনা দেয়ার যোগ্যতা রাখতেন আর হতে পারতেন স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সহচর, তাদের ধরে ধরে নির্বিচারে রায়েরবাজারসহ সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা বধ্যভূমিগুলোতে চরম নির্যাতনের পর হত্যা করেছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এদেশীয় দালালরা।

তাদের এ পরিকল্পনা যে কতটা সফল ছিল তার সবচাইতে বড় প্রমাণ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট। বাঙালির হাতেই বাঙালির ত্রাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপরিবারের নির্মম হত্যাকাণ্ড। এই পরের ইতিহাস বড়ই নোংরা আর কদর্য। একুশটি বছর ধরে টানা এদেশের শাসন ক্ষমতায় ছিল মেধাহীন, রুচিহীন পাকিস্তানপন্থী বাংলাস্তানিরা। বিলুপ্ত হয়েছিল সংবিধানের চার মূল স্তম্ভ আর ‘বাংলাদেশ বেতারকে’ ‘রেডিও বাংলাদেশ’ আর ‘জয় বাংলাকে’ ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বানিয়ে দেশটাকে শুধুই পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। যে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সময় ছিল সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেশ, পঁচাত্তরে যার অবস্থান ছিল দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আজকের উন্নত যে কোন দেশের সাথেই তুলনীয়, সেই বাংলাদেশের কাছেই নব্বইয়ের দশকে সিঙ্গাপুর- থাইল্যান্ড-মালয়শিয়া পরিণত হয়েছিল অধরা, স্বপ্নের জগতে।

একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকায় এদেশের এমন কোন পেশা নেই যার সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব নেই প্রতিটি পেশার শ্রেষ্ঠ সন্তানরা শিকার হয়েছিলেন বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের। এর মাঝে সংখ্যানুপাতে এগিয়ে চিকিৎসকরা। শতাংশের হিসাব করলে এই পেশারই সর্বোচ্চ সংখ্যক শহীদ, শহীদ বুদ্বিজীবীদের তালিকাকে প্রলম্বিত করেছেন। যে শতাধিক চিকিৎসক একাত্তরের শহীদ বুদ্বিজীবী, তাদের কাউকেই কিন্তু চিকিৎসক হিসেবে তাদের পেশাগত সাফল্য কিংবা চিকিৎসা বিজ্ঞানে তাদের অবদানের জন্য পাকবাহিনী আর তাদের দোসররা টার্গেট করেনি। তাদের টার্গেট করা হয়েছিল কারণ তারা তাদের পেশার ঊর্ধ্বে ওঠে নিজ নিজ প্রজ্ঞা, মেধা, মননে এমন একটা উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন যে পাকিস্তানিরা শংকায় ছিল যে তারা বেঁচে থাকলে তারা যে শুধু চিকিৎসক হিসেবেই দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবেন তা-ই নয়, বরং তাদের দিয়ে দেশের উপকার হবে বহুমাত্রিক। তারা দেশটিকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক স্বপ্নের বাংলাদেশে পরিণত করবেন।

অন্যান্য পেশার মতোই চিকিৎসা পেশাও সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে মেধা, মনন আর প্রজ্ঞার ঘাটতিতে ভুগেছে অনেক। প্রজ্ঞাবান পেশাজীবীরা ক্রমেই সেই শূন্যতাকে পুরণ করেছেন এবং করছেনও। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। প্রজ্ঞাবান পেশাজীবীদের অকুণ্ঠসহযোগিতা নিশ্চয়ই এর পেছনে ক্রিয়াশীল । কিন্তু তারপরও কেন যেন মনে হয় কোথায় কি নেই? পেশায় প্রজ্ঞার ঘাটতিটা চোখে পড়ে হঠাৎ হঠাৎই। আমার পেশায় আজকে আছেন দেশবরেণ্য চিকিৎসকরা। দেশের ষোল কোটি মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করছেন তারা। দেশের সীমানা পেরিয়ে তাদের অনেকের খ্যাতি দেশের বাইরেও বহুদূর বিস্তৃত। প্রজ্ঞায়, একাডেমিয়ায় আর উদ্ভাবনীতে তাদের অনেকেই উদ্ভাসিত করছেন দেশকে আর এমনকি পৃথিবীকেও।

কিন্তু তারপরেও কিন্তু থেকে যায় যখন দেখি টাঙ্গাইলের বিএমএ’এর নির্বাচিত নেতা মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট অবলীলায় ছিঁড়ে ফেলেন, ভুলে যান যে ঐ মুক্তিযোদ্ধা একদিন রুখে না দাঁড়ালে তিনি আজ অধ্যাপক না হয়ে বড়জোর অধ্যাপকের এমএলএসএস হতেন, তখন খুব বেশি করে মনে পরে শহীদ ডা. আলিম চৌধুরী আর শহীদ ডা. ফজলে রাব্বিদের কথা। অন্ধক্রোধে ইচ্ছা করে চিৎকার করে বলি তুমি, ‘পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, কোন অধিকার নেই তোমার আমার পেশাকে অসন্মান করার’ আর কুটি কুটি করে ছিঁড়ে ফেলি হাজার মাইল দূরের ঐ দেশটির মানচিত্রটিকে। একাত্তরে ওরা আমাদের অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়েছিল তাও না হয় মেনে নিলাম, কিন্তু দেশের মেধা আর বিবেকের এত বড় ক্ষতিটা ওরা না করলেও তো পারতো।

লেখক: চেয়ারম্যন, লিভার বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সদস্য সচিব, সম্প্রীতি বাংলাদেশ।

নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর