শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও পুরুস্কার বিতরণী মান্দায় ৩টি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই ফেল! নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন আত্রাইয়ে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা মান্দায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক ১ রাণীনগরে ছাত্রলীগের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপণ রেলপথের দাবিতে হাঁপানিয়ায় মানববন্ধন নওগাঁয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙে ৩১ গ্রাম প্লাবিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাণীনগরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত
১৩৯২

রেল লাইনের দাবিতে নওগাঁয় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০১৯  

সান্তাহার থেকে নওগাঁ ও নজিপুর হয়েরহনপুর পর্যন্ত রেলপথ এবং আব্দুলপুর থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত সমান্তরাল ভাবে ডবল রেললাইনের দাবীতে নওগাঁয় মানব বন্ধনকর্মসুচী পালন করেছে সামাজিক সংগঠন একুশে পরিষদ।শনিবার সকালে শহরের মুক্তির মোড় নওজোয়ান মাঠের সামনের সড়কে ঘন্টাকাল ব্যাপী এ মানব বন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে একুেেশ পরিষদের সভাপতি এ্যাডঃ ডি.এম আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের উপদেষ্টা অবঃ অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফুল ইসলাম খান, অবঃ অধ্যাপক তৌহিদুল ইসলাম ও মোতাহারুল ইসলাম, সাংবাদিক মুনছুর রহমান, সংগঠনের সাধারন সম্পাদকএম, এম রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিষনু কুমার দেবনাথ, সদস্য সুবল চন্দ্র প্রামানিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ আমলে ১৯১০ সালে ইষ্টার্ন বেঙ্গল ষ্টেটরেলওয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করেন। সেই জরিপ দলের নেতা মিঃ ডেলগ্রিন শান্তাহার জংশন থেকে নওগাঁর উপর দিয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পর্যন্ত ৯৯ কিলোমিটার রেলপথ নির্মানের সুপারিশ করেন। সুপারিশের ভিত্তিতে তখন একটি প্রকল্প নেয়া হয়। ১৯৪৭ সালের পর থেকে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্থান সরকার রেলওয়ে বোর্ড ১৯৬৩ সালে এই প্রকল্প বাস্তাবায়নে পুনরায় কাজ শুরু করে। রেলওয়ে বোর্ড আরেকটি জরিপ চালায় জরিপ দলের প্রধান আশরাফ আলী। মিঃ ডেলগ্রিনের প্রতিবেদনের পক্ষেমত দেন। তিনি ১৯৪ পৃষ্টার প্রতিবেদনে প্রকল্পের একটি নকশা ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্থানের গভর্নরের কাছে হস্তান্তর করেন।

আশরাফ আলী জরিপ কমিটির প্রকল্প প্রস্তাবনাঅনুযায়ী শান্তাহার রেলওয়ে জংশন থেকে নওগাঁসহ, মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথানা বাজার, পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভা, পোরশা উপজেলার সরাইগাছীহয়ে চাপাই নবাবগঞ্জের রহনপুর পর্যন্ত ৯৯ কিলোমিটার রেলপথ হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীকালে প্রকল্পটি হাতে নিয়েও বন্ধ করে দেয় তৎকালীন পাকিস্থান সরকার। উত্তারাঞ্চলের জেলা গুলোর মধ্যে নওগাঁ একটি অনগ্রসর জেলা।যোগাযোগের ক্ষেত্রে সড়ক পথ ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।এই জেলায় রেলপথের গুরুত্ব অপরিসীম। এই এলাকায় একটি রেলপথ হলে সেটি যাত্রীর পাশাপাশি এই এলাকার উৎপাদিত কৃষিপন্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারবে। এছাড়াও আব্দুলপুর হতে পঞ্চগড় পর্যন্ত সমান্তরাল ভাবে আরও একটি রেললাইনের দাবী জানান বক্তারা।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর