মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৪ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ জনের রাণীনগরে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙ্গে কৃষকের ৫টি গরু চুরি পোরশায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু রাণীনগরে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় তরুন তরুনীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত গনসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের র‌্যালী সাপাহারে জনসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা রাণীনগরে গাঁজাসহ আটক ২ নওগাঁ ১১ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত, ৮ জন চিকিৎসাধীন আত্রাই থানা পুলিশের সচেতনতা মূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে গনসচেতনতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালী অনুষ্ঠিত সাপাহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মশক নিধন লিফলেট বিতরণ ৬ দফা দাবিতে নওগাঁ প্রেসক্লাবে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন মান্দায় ‘মাদক ও ইভটিজিং সচেতনতা কার্যক্রম’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
৩৪৪

রাণীনগরে বেরিবাঁধ ভেঙ্গে ৩টি গ্রাম প্লাবিত, প্রায় ১৫ হাজার মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০১৯  

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার নান্দাইবাড়ি-মালঞ্চির অভিভাবকহীন প্রায় ৫০ হাত বেরিবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। শুক্রবার ভোর রাতে এই বেরি বাঁধটি ভেঙ্গে যায়। এতে করে ৩টি গ্রাম নতুন করে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। চরম বিপাকে পড়েছে এই এলাকার প্রায় ১৫হাজার বানভাসী মানুষরা। পানিতে তলিয়ে গেছে কয়েকশত পুকুর, আমন ধানের জমি ও শতাধিক হেক্টর সবজির আবাদ। তবে ছোট যমুনা নদীতে পানির গতিবেগ কম থাকায় পানিতে প্লাবিত এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি কম হবে বলে ধারনা করছেন এলাকাবাসী।

গোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খাঁন হাসান বলেন, আমাদের এলাকার ছোট যমুনা নদীর নান্দাইবাড়ি, মালঞ্চি, কৃষ্ণপুর বেরিবাঁধটি নির্মিত হওয়ার পর থেকে অভিভাবকহীন। কোন দপ্তর কোনদিন এই বাঁধটি সংস্কার করেনি। এমনকি এই বাঁধটিকে কোন দপ্তরই স্বীকার করে না যার কারণে সংস্কার ও উন্নয়নের কোন প্রকারের ছোঁয়া এই বাঁধে কখনো স্পর্শ করেনি। যার ফলশ্রুতিতে বাঁধটি দীর্ঘদিন যাবত চরম ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় ছিলো। বাঁধটির মালঞ্চি এলাকার কিছু অংশ ভেঙ্গে গেছে। এতে করে নদীর তীরবর্তি কয়েকটি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বাড়ি-ঘরই নয় এই এলাকা পুকুর ও সবজির আবাদের জন্য বিখ্যাত। আশঙ্কা করা হচ্ছে এই বন্যার কারণে এই এলাকা কয়েকশত পুকুর ও শতাধিক হেক্টরের সবজির আবাদ পানিতে তলিয়ে যাবে। এছাড়াও নওগাঁ-আত্রাই সড়কের বেশকিছু জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেইসব ঝুঁকিপূর্ণ স্থান স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় স্থানীয়রা রক্ষা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাণীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া অংশে নদীর পানিতে তেমন গতি না থাকায় বন্যা কবলিত এলাকা ছাড়া অন্যান্য ফসলের তেমন উল্লেখ্যযোগ্য ক্ষতি হবে না বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে প্লাবিত ৩টি গ্রামের সবজির আবাদ ও পুকুর বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কৃষি অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে বন্যা কবলিত এলাকায় সার্বক্ষণিক থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সংখ্যা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরুপন করে তাদের জন্য সহায়তা হিসেবে ত্রান সামগ্রী বিতরন করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এছাড়াও ভেঙ্গে যাওয়া অংশ বাঁধার চেষ্টা করা হচ্ছে।সরকারের উর্দ্ধতন কর্মর্কতারা বাঁধটি পরিদর্শন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর