বুধবার   ২৭ মে ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭   ০৪ শাওয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
৬৯

মহাদেবপুরে পুল পোকার রেশনসুতা চাষ করে ভাগ্য বদল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২০  

নওগাঁয় পুল পোকাররেশম সুতা চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন বেলালহোসেন নামের রেশম সুতা চাষী।নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ১০ভীমপুর ইউপির বেলঘড়িয়াগ্রামের মৃত ৃসলেমান আলীর ছেলে বেলাল হোসেন প্রায় ৩বছর যাবত এই পুল পোকার রেশন সুতা চাষ করে তারজীবিকা নির্বাহ করছেন।

পুল পোকার রেশম সুতা লাভজনক হওয়ায় গ্রামের বেশ কিছু বেকার যুবক আগ্রহীহচ্ছে বলে জানা গেছে।ইতিমধ্যে বেলাল হোসেন উপজেলার ১০নং ভীমপুর ইউপিরচকগৌরী বাজারের নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া খাড়ির এক পাশদিয়ে প্রায় ২ হাজার তুতগাছ রোপণ করেছে। এইতুতগাছ থেকে পাতা সংগ্রহ করে পুল পোকার খাবারজোগান দেন বেলাল হোসেন ।

রেশন সুতা চাষী বেলাল হোসেন জানান,আগেপারিবারিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিলো না,এক জনেরমাধ্যমে এই রেশন সুতা চাষের বিষয়ে জানতে পেরেঅফিসের সাথে যোগাযোগ করি।এরপর প্রথমে আমিরাজশাহী রেশন বোর্ড থেকে পুল পোকার রেশম সুতাচাষের এক মাস টেডিং করি। টেডিং শেষ হলে অফিস থেকেআমাকে পুল পোকার ২২ টি ডিম দেয় এবং ২হাজার তুতগাছ তারা রোপণ করে দেয়।

এই তুতগাছ রোপণ করাথেকে শুরু করে যাবতীয় যত খরচ সব রেশম বোর্ড বহন করেও পুলপোকা থেকে সুতা তৈরী হওয়া পর্যন্ত সব ধরণেরসহযোগীতা করে রেশম বোর্ড। এই রেশন সুতা ২৪দিনের মাথায় তৈরি হলে রেশন সুতা গুলো বাজারজাত করেবিক্রি করি। তাতে আমি আগের চেয়ে অনেক সচ্ছল ভাবেজীবন যাপন করছি। পুলপোকার রেশন সুতা চাষে যদিআমাদের দেশের বেকার যুবকরা যদি আগ্রহী হয়ে তাতেকরে দেশের বেকারত্ব দূর হবে এবং রেশন সুতা শিল্পকে ধরেরাখা সম্ভাব হবে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় রেশম বোর্ডের অফিসার রুঞ্জু আহমেদ জানান,এই রেশম সুতা ২৪ দিনের মাথায় তৈরি হয়। প্রতিকেজি সুতা ৩শ টাকায় বিক্রি হয়। প্রথমে এই গুটিসুতাগুলো জয়পুরহাট মিলিফেলিসারে গিয়ে সুতাতৈরি হয় এবং এই সুতাগুলো রাজশাহী রেশম বোর্ডে ৩হাজার টাকা কেজি দরে দেয়া হয়। 

স/র

নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর