শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও পুরুস্কার বিতরণী মান্দায় ৩টি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই ফেল! নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন আত্রাইয়ে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা মান্দায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক ১ রাণীনগরে ছাত্রলীগের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপণ রেলপথের দাবিতে হাঁপানিয়ায় মানববন্ধন নওগাঁয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙে ৩১ গ্রাম প্লাবিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাণীনগরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত
১৭

বেহেস্তের চেয়ে দোজখের সংখ্যা কম যে কারণে

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০১৯  

যে ব্যক্তি কিয়ামত দিবসে মহান আল্লাহ তায়ালার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং গুনাহের কাজ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে তার ঠিকানা হবে জান্নাত।

যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতিত আর কোনো ছায়া থাকবে না। সেদিন যারা আল্লাহর আরশের ছায়া পাবে তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে, যে নির্জনে আল্লাহকে স্বরণ করে এবং তার দু’চোখ অশ্রুতে ভিজে যায়।

যখন আপনার নফস গুনাহ করতে চায় তখন অন্তরকে আল্লাহর দৃষ্টির কথা স্বরণ করিয়ে দিন। 

যদি কখনো একা থাকেন আর অন্তর বা নফস আপনাকে গুনাহের দিকে আহ্বান করে তখন অন্তরকে বলুন- মহান আল্লাহ সবই দেখছেন। আল্লাহ আমাকে দেখছেন।

যদি আপনি মনে করেন যে, আল্লাহ আপনাকে দেখছেন না। তাহলে আপনি অনেক বড় কুফুরিতে লিপ্ত। অতিসত্তর তওবা করুন।

আবার যদি আল্লাহ আমার সব কর্মকান্ড দেখছেন এ বিশ্বাস নিয়েও যদি আপনি গুনাহে লিপ্ত হন সেটা হবে আপনার চরম অবাধ্যতা। চরম হঠকারিতা। চরম নির্লজ্জতা।

একবার ভাবুন তো, কাল কিয়ামত দিবসের কঠিন মুহুর্তে আপনাকে যখন আল্লাহর সামনে হাজির করা হবে তখন আপনি এর কী জবাব দেবেন?

মহান আল্লাহ তো আমাদের দোজখে দিতে চান না। যদি চাইতেন তাহলে দোজখের সংখ্যা হতো বেশি। কিন্তু না মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে অধিক পরিমানে ভালোবাসেন এবং ক্ষমা করেন বলেই বেহেস্তের চেয়ে দোজখের সংখ্যা কম!

রবের এ মহৎ ভালোবাসার কথা স্মরণ করে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন, কেন আমরা নিজেদের এভাবে ঠকাচ্ছি? কেন আমরা অকল্পণীয় বিপদকে আহ্বান করছি প্রতিনিয়ত? 

মাত্র দু'দিনের দুনিয়ায় লাগামহীন চলাফেরা এবং মহান রবের অবাধ্য হয়ে কেন পরকালের অনন্ত জীবনকে তুচ্ছজ্ঞান করছি। এটাতো কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। 

সেই কঠিনতম দিনটিতে মহান আল্লাহর কাছে কী জবাব দেব? যেদিন আমরা জিজ্ঞাসিত হবো, তার উত্তর আমাদের এখনই ঠিক করে নিতে হবে।

প্রতিটি মুহুর্তে আমাদের ভাবতে হবে- আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাকে দেখছেন। প্রভু আমাকে দেখছেন। সব কিছুর হিসেব একদিন তার কাছে দিতেই হবে। প্রতিনিয়ত এ ভাবনা যদি অন্তরে লালন করতে পারি তাহলে আমরা পাপ থেকে বিরত থাকতে পারবো, ইনশাআল্লাহ!

আসুন দোয়া করি- হে আমার রব! আমার মালিক। তুমি ক্ষমাশীল। দয়াময় প্রভু। আমি তোমার গোলাম। তোমার গোলামের সন্তান গোলাম। আমাকে মাফ করে দাও। আমাকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দাও। আমাকে কবুল কর, হে বিচার দিবসের মালিক। আমিন।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন