শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২১ মুহররম ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
১০৬

বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার খুনির স্ত্রী রিটাকে বিএনপির মনোনয়ন

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের জন্য বিএনপি থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যার অন্যতম পলাতক আসামী মেজর (অব.) এম খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমানকে।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান।

রিটা রহমান ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান। রিটা রহমানের স্বামী মেজর (অব.) এম খায়রুজ্জামান ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং একই বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন।

 মেজর (অব.) এম খায়রুজ্জামান ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং একই বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি

জানা গেছে, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর রিটা রহমানের স্বামী এম খায়রুজ্জামানকে মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাসের তৃতীয় সচিব পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক পদমর্যাদার এই কর্মকর্তাকে ফিলিপাইন থেকে দেশে ফেরত এনে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছর ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে অবসর দেওয়া হয়।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর ২০০৪ সালে ট্রায়াল কোর্টে জেলহত্যা মামলা থেকে খায়রুজ্জামানকে খালাস দেওয়া হয়। তবে মামলা চলাকালেই ‘নজিরবিহীন’ ভাবে তাকে পদোন্নতি দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেইসঙ্গে তাকে ‘সসম্মানে’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে তাকে মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পদেও নিয়োগ দেয় বিএনপি-জামায়াত জোট।

সর্বশেষ ফখরুদ্দীন-মইনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের আগস্টে তাকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার করা হয়।

পরবর্তীতে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের এম খায়রুজ্জমানকে কুয়ালালামপর থেকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। দেশে ফেরার আদেশ পেয়ে ঐ বছরেই তিনি দায়িত্ব ত্যাগ করে নিরুদ্দেশ হন। সরকার এরপর তার পাসপোর্ট বাতিল করে।

সর্বশেষ তথ্যমতে মালয়েশিয়া থেকে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর খায়রুজ্জামান দুবাই হয়ে কানাডায় পাড়ি জমান। কানাডা সরকারের কাছে নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দেশটিতে বসবাসের জন্য রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর