শুক্রবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৫ ১৪২৬   ০৪ রজব ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
১২৩

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে থাকছেন বিবাহিতরা, নতুন বিতর্কে ছাত্রদল!

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০১৯  

 দীর্ঘ ২৮ বছর পর ভোটের মাধ্যমে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন ফজলুর রহমান খোকন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন ইকবাল হোসেন শ্যামল। যদিও আদালত ছাত্রদলের কমিটির কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন তবু কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তা মানবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন।

জানা গেছে, ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে নানা অসঙ্গতি সত্ত্বেও এবার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে চায় কেন্দ্র। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে এবার নিজেদের অনড় অবস্থান থেকে সরে এসেছে কেন্দ্র। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিবাহিত ও বয়সসীমার একটি নিয়ম থাকলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সেই নিয়মগুলো তুলে নেয়ার পক্ষে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। শেষ পর্যন্ত বয়সসীমা ও বিবাহ সংক্রান্ত বাধাগুলো তুলে নিতে চাওয়ায় এবার ছাত্রদলের সাবেক কমিটি ও সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী নেতাদের রোষানলে পড়েছেন দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

বিবাহিত ও বয়স্কদের ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দেয়ার গুঞ্জনে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট। তিনি বলেন, বিবাহিত ও বয়স্ক হওয়ায় আমাদের মতো একটু সিনিয়র নেতাদের ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দেয়া হয়নি। বয়স বেশি হওয়ার কারণে আমাদের নানা বিষয় বুঝিয়ে প্রত্যাশিত দাবিগুলো মেনে নেয়া হয়নি। একঅর্থে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে হাইকমান্ড। এখন যদি বয়স্ক ও বিবাহিতদের কমিটিতে স্থান দেয়া হয়, তবে সেটি হবে সংগঠনের নীতি বিরোধী কাজ।

তিনি আরো বলেন, ছাত্রদলকে যদি কেন্দ্র সত্যিকারার্থে ছাত্রদের সংগঠন বানাতে চায়, তবে শুধুমাত্র রানিং ছাত্রদের কমিটিতে স্থান দেয়াটা জরুরি। অতীতে অছাত্র, বয়স্কদের নিয়ে যা হয়েছে তাতে সংগঠনের সম্মানহানি হয়েছে। এখন নতুন করে অছাত্র, বয়স্ক ও বিবাহিতদের ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দেয়া হলে তা গাধার জলঘোলা করে খাওয়ার মতো বিষয় হবে।

এদিকে ছাত্রদলের কমিটিতে বয়স্ক ও বিবাহিতদের স্থান দেয়ার যৌক্তিকতার বিষয়ে জানতে চাইলে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেন, বিবাহিত নেতাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সংগঠনের নতুন কমিটিতে তাদের রাখা হবে। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিবাহিতদের বাদ দিলে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতা খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে। এখন ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে যারা বয়সসীমা বা বিবাহিত প্রসঙ্গে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে, তারা বিএনপির আদর্শিক রাজনীতি করে না।

নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর