ব্রেকিং:
পোরশার হাপানিয়া সীমান্ত থেকে সাত বাংলাদেশীকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ

রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটের আগ্রাদ্বিগুন বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ পুলিশ নিহত ধামইরহাটের গকুল গ্রাম থেকে গলায় ফাঁশ দেওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
৩৮

পাহাড়পুরে দর্শনার্থীর পাশাপাশি বাড়ছে রাজস্বও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০১৯  

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

নওগাঁ শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ বৌদ্ধবিহার ঐতিহাসিক পাহাড়পুর। এখানে দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে নানান অবকাঠামো। সারাবছরই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায় বিহারটিতে। ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে প্রায় সারা বছরই দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে এখানে।

প্রতিদিনই দূর-দুরান্ত থেকে অনেক দর্শনার্থীরা এসেছেন পাহাড়পুরের ঐতিহাসিক মনোরম দৃশ্য দেখতে। এদিকে বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা বাড়ানোয় খুশিও তারা।

এক দর্শনার্থী বলেন, ‘ ধর্মপালের ঐতিহাসিক এই পাহাড় দেখতে এসে ভালো লাগছে। আমরা স্বপরিবারে এখানে এসেছি। এই বৌদ্ধবিহার দেখে আমরা মুগ্ধ।’

এছাড়া পাহাড়পুরে জাদুঘরসহ অনেক কিছু দেখছে শিশুরা; তারা এসেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। ঘুরতে আসা এক শিশু জানায়, পাহাড়পুরের জাদুঘর তাকে মুগ্ধ করেছে। এখানকার পুঁথি ও খনন করে পাওয়া পোড়ামাটির ফলক দেখে সে মুগ্ধ হয়েছে। এছাড়া তার কাছে আশ্চর্য লেগেছে যে, পাথর দিয়ে কি সুন্দর করে নকশা করা হয়েছে।

গত কয়েক বছরের বছরের তুলনায় এবার বৌদ্ধবিহারে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে রাজস্বও। সেই সাথে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান বৌদ্ধবিহারের সরকারী পরিচালক সাদেকুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘এখানে দর্শনার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রাজস্বও বাড়ছে। পাহাড়পুরে পর্যটন পুলিশ ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিদিনই দর্শক সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এভাবে দর্শনার্থী বৃদ্ধি পেলে রাজস্ব আয় কয়েক বছরের মধ্যে রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।’

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত। এটি সোমপুর বিহার নামেও পরিচিত। বিহারটি পাল রাজা ধর্মপাল ৭ম শতকে নির্মাণ করেন। এই বিহারটিতে মন্দির ও স্তুপ পরিবেষ্টিত বিহারসহ বৌদ্ধ স্থাপনার বেশকিছু নিদর্শন রয়েছে। এছাড়া বিহার থেকে অল্প দূরত্বে সত্যপীরের ভিটা ও পাহাড়পুর জাদুঘর রয়েছে। পোড়ামাটি শিল্পের ফলকসহ স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন এই বৌদ্ধ বিহারটি।

উল্লেখ্য, ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম বিশাল এই স্থাপনাটি আবিষ্কার করেন। ঐতিহাসিক এই বিহারের সব স্থাপানাই পোড়া ইট ও কাদামাটির তৈরি। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর