রোববার   ৩১ মে ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭   ০৮ শাওয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
৫৯

নিয়ামতপুরে বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মারামারি, ২জন মহিলাসহ আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২০  

নওগাঁর নিয়ামতপুরেবাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মারামারি, ২জন মহিলাসহ আহত হয়েছে ৩জন। জানা যায়,উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আঘোর পূর্বপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

সূত্র আরোজানায়, আঘোর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত- প্রদীপ এর ছেলে রমি সন্যাসি প্রাপ্ত পৈত্রিকসূত্রে বাঁশ গাছসহ বিরোধীয় সম্পত্তির মালিক। দীর্ঘদিন যাবত সম্পত্তিটি সেভোগ দখল করে আসছিল।

কিন্তু রমি সন্যাসির চাচা একই গ্রামের মৃত- নারায়নের (ডাঃ)ছেলে নিরাঞ্জনও সম্পত্তির মালিকানা দাবী করে মাঝে মাঝেই বিরোধ সৃষ্টি করে। এ বিষয়েস্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার সালিশ করেও ব্যর্থ হয়। সম্প্রতি গত ১১ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টায় নিরাঞ্জন এর লোক বাঁশ কাটলে রমি বাধাদিতে গেলে নিরাঞ্জন, ছেলে রনি, স্ত্রী মুক্তি বাঁশ দিয়ে রমিকে আঘাত করলে রমিরআর্তনাতে স্ত্রী তুলসী ও তার মা শ্রীমতি সেফালী এগিয়ে আসলে তাদেরকেও বাঁশ দ্বারাএলোপাতাড়ী আঘাত করতে থাকে।

এতে তারা মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাদের চিৎকারেগ্রামবাসী ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়েআসেন।এ বিষয়ে সম্পত্তির মালিক রমি সন্যাসি প্রাপ্ত এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার দাদার দুইছেলে ও এক মেয়ে। পৈত্রিক সূত্রে সম্পত্তিটি আমার বাবা পায়।

আমার বাবার ওয়ারিশসূত্রে আমি প্রাপ্ত হই। কিন্তু আমার চাচা নিরাঞ্জন তা না মেনে বার বার সম্পত্তি দখলেরচেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবারসালিশ হয়। সর্বশেষ এক বছর পূর্বে সম্পত্তিটি দখলের চেষ্ট করলে আমরা তাতে বাধাপ্রদান করায় তারা আমাদেরকে বেধড়ক মারপিট করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিলে স্থানীয়জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সালিশ বসে তারা উক্ত সম্পত্তি আমাকে দখল করে দেন।

কিন্তুআমার চাচা তা মানতে নারাজ। গত ১১ এপ্রিল বিকেল সাড়ে চারটায় বাজার যাওয়ার পথেদেখি আমার গ্রামের রেজাউল ইসলাম লালু বাঁশ কাটতেছে। আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলে সেবলে নিরাঞ্জন আমার নিকট বাঁশ বিক্রি করে। আমি বাঁশ কাটতে বাধা দিলে আমার চাচানিরাঞ্জন, ছেলে রনি ও স্ত্রী মুক্তি বাঁশ নিয়ে আমার উপর আক্রমন করে এতে আমার স্ত্রী ও মাএগিয়ে আসলে তাদেরকেও বেধড়ক মারপি করে। এতে আমি আমার স্ত্রী ও মা মারাত্মকভাবেআহত হই।

আমারে আত্ম চিৎকারে গ্রামবাসী এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।আমরা বিচারের জন্য থানায় গেলে অফিসার ইন চার্জ প্রথমে চিকিৎসার জন্যহাসপাতালে যেতে বলেন। আমার চাচাতো ভাই রনি সার্বক্ষনি নেশাগ্রস্ত থাকে। সে হেরোইন, ফেনসিডিলসহসব রকমের নেশা গ্রহন করে।থানায় আসার বিষয়ে অফিসার ইন চার্জ হুমায়ন কবির বলেন, আমার মনে নেই। কতজনইতো আসে এত কথা মনে রাখা আমার পক্ষে কি সম্ভব?

স/র

নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর