ব্রেকিং:
পোরশার হাপানিয়া সীমান্ত থেকে সাত বাংলাদেশীকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ

বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটের আগ্রাদ্বিগুন বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ পুলিশ নিহত ধামইরহাটের গকুল গ্রাম থেকে গলায় ফাঁশ দেওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
৩৫৮

নওগাঁয় হারাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরুর হাল

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯  

 

ঋতু পরিক্রমায় শীতকাল এসেছে। আবার সময়ের আবর্তে শেষের দিকেও চলে যাচ্ছে। এই সময়টা কৃষকরা ব্যাস্ত সময় পার করেন বীজতলা তৈরীতে। কৃষক মাটিতে গরু দিয়ে হাল দিচ্ছেন। শীতকালে গ্রাম বাংলায় এই পরিচিত দৃশ্যটা এখন আর খুব একটা দেখা যায় না। ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার এসে দখল করে নিয়েছে হালের জায়গা। আর গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

কৃষি কাজে ব্যবহৃত এসব স্বল্প মূল্যের কৃষি উপকরণ এবং গরু দিয়ে হাল চাষ করে তারা যুগের পর যুগ ধরে ফসল ফলিয়ে জীবিকা নিবার্হ করতেন। এতে করে একদিকে যেমন পরিবেশে রক্ষা হয়, অন্যদিকে কৃষকের অর্থ ব্যয়ও হয় কম। লাঙ্গল, জোয়াল আর বাঁশের মই ছাড়াও হাল চাষিরা অতি গুরুত্বপূণর্ যে দুটি জিনিস ব্যবহার করেন তা হলো- গোমাই আর পান্টি (ঠোনা)। ফসলের পাশের কিংবা ঘাস পূর্ণ জমিতে চাষের সময় গরু যাতে কোন খাদ্য খেতে না পারে, সে দিকে লক্ষ্য রেখে পাট, বেত, বাঁশের কঞ্চি অথবা লতা জাতীয় এক ধরনের গাছ দিয়ে তৈরি গোমাই গরুর মুখে বেঁধে দেয়া হতো। আর জোরে হাল চাষের জন্য ব্যবহার করা হয় পান্টি। এটি খুব বেশি দিনের কথা নয়, প্রায় ২৫ বছর আগে এসব গরুর হালে লাঙ্গল-জোয়াল আর মই গ্রামগঞ্জের জমিতে হরহামেশাই দেখা যেত। হাল চাষিদের অনেকে নিজের জমিতে হাল চাষ করার পাশাপাশি অন্যের জমি চাষ দিয়ে পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু অথর্ও উপাজর্ন করতেন। ফসলের জন্য জমি উপযুক্ত করতে গরু-মহিষের হালের কোন বিকল্প নেই। অথচ এই উপযুক্ত জিনিসই নওগাঁয় হারিয়ে যেতে বসেছে। সময় বাঁচাতে আর কৃষি শ্রমিকের অভাবে জমি চাষের জন্য গ্রাম বাংলার এক সময়ের ঐতিহ্য গরু-মহিষের হাল আর তেমন চোখে পড়ে না।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর