শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও পুরুস্কার বিতরণী মান্দায় ৩টি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সবাই ফেল! নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন আত্রাইয়ে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা মান্দায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক ১ রাণীনগরে ছাত্রলীগের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপণ রেলপথের দাবিতে হাঁপানিয়ায় মানববন্ধন নওগাঁয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মান্দায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙে ৩১ গ্রাম প্লাবিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে রাণীনগরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত
৩৯

দান-খয়রাত: ইসলামের নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০১৯  

দানশীলতা মানব চরিত্রের মহৎ গুণ যা মানুষের হৃদয়কে কৃপণতার অভিশাপ থেকে মুক্ত ও সতেজ রাখে।

ইসলামের নির্দেশনা হলো, ‘যে বা যারা অঢেল ধন-সম্পদ ও অর্থ সঞ্চয় করেছে, তারা যেন ইহজগৎ বা দুনিয়া ত্যাগ করার আগেই আল্লাহর নামে ‘ফি সাবিলিল্লাহ’ দান-খয়রাত করে যেতে থাকে।’ 

আমাদের মহানবী হজরত মোহাম্মাদ (সা.) এর কাছে কেউ কিছু চাইলে তাঁর কাছে যা থাকত, তা-ই তিনি দান করে দিতেন। এমনকি নিজের অতি প্রয়োজনকে তুচ্ছ মনে করে পরিবার-পরিজনসহ অভুক্ত থেকেও গরিব, এতিম, মিসকিন ও অসহায়-অভাবী মানুষদের আহার করাতেন। এভাবে আল্লাহর পেয়ারা নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) দান-খয়রাতের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মানবতার সেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বলেন, 

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُبْطِلُواْ صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالأذَى كَالَّذِي يُنفِقُ مَالَهُ رِئَاء النَّاسِ وَلاَ يُؤْمِنُ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لاَّ يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِّمَّا كَسَبُواْ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ

‘হে ঈমানদারগণ!তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মত যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না। অতএব, এ ব্যক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার উপর কিছু মাটি পড়েছিল। অতঃপর এর ওপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল। তারা ওই বস্তুর কোনো সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে। আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।’ (সূরা বাকারা, আয়াত: ২৬৪)।
 
রাসূল্লাহ (সা.) বলেন, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদেরকে পাপ থেকে পবিত্র করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। ১.টাখনুর নীচে পোশাক পরিধানকারী, ২.খোটাদানকারী, ৩.মিথ্যা শপথ করে পণ্য বিক্রয়কারী।’ (সহীহ মুসলিম)।

রাসূল (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। ১. মাতা-পিতার অবাধ্যচারী, ২. মদ্রপায়ী বা নেশাখোর, ৩. নিজের কৃত অনুগ্রহ ও দান-খয়রাতের প্রচারকারী ও দোহাই দানকারী (নাসায়ী)।

রাসূল (সা.) আরো বলেছেন, ‘প্রতারক, বখিল ও খোটাদানকারী জান্নাতে যেতে পারবে না (তিরমিযী)।

অধিকাংশ মানুষ দান-খয়রাত করতে চায় না। মনে করে এতে সম্পদ কমে যাবে। তাই সম্পদ সঞ্চিত করে রাখতেই সর্বদা সচেষ্ট থাকে, এমনকি নিজের প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেও খরচ করতে কৃপণতা করে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মানুষ বলে আমার সম্পদ আমার সম্পদ অথচ তিনটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সম্পদই শুধু তার। যা খেয়ে শেষ করেছে, যা পরিধান করে নষ্ট করেছে এবং যা দান করে জমা করেছে- তাই শুধু তার। আর অবশিষ্ট সম্পদ সে ছেড়ে যাবে, মানুষ তা নিয়ে যাবে।’ (মুসলিম)।

দানকারীর জন্য ফেরেশতা দোয়া করে: হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘প্রতিদিন সকালে দু’জন ফেরেশতা অবতরণ করেন। তাদের একজন দানকারীর জন্য দোয়া করে বলে, اللَّهُمَّ أَعْطِ مُنْفِقًا خَلَفًا ‘হে আল্লাহ দানকারীর মালে বিনিময় দান কর। (বিনিময় সম্পদ বৃদ্ধি কর)’ আর দ্বিতীয়জন কৃপণের জন্য বদ দোয়া করে বলেন, اللَّهُمَّ أَعْطِ مُمْسِكًا تَلَفًا “হে আল্লাহ কৃপণের মালে ধ্বংস দাও।’ (বুখারী ও মুসলিম)

দানকারীর দুনিয়া আখিরাতের সকল বিষয় সহজ করে দেয়া হয়: হজরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

مَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

‘যে ব্যক্তি কোনো অভাব গ্রস্তের অভাব দূর করবে, আল্লাহ তার দুনিয়া ও আখিরাতের সকল বিষয় সহজ করে দেবেন।’ (মুসলিম)।

গোপনে দান করার ফজিলত: গোপন-প্রকাশ্যে যে কোনোভাবে দান করা যায়। সকল দানেই সওয়াব রয়েছে। আল্লাহ বলেন,

إِنْ تُبْدُوا الصَّدَقَاتِ فَنِعِمَّا هِيَ وَإِنْ تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا الْفُقَرَاءَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَيُكَفِّرُ عَنْكُمْ مِنْ سَيِّئَاتِكُمْ

‘যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকীর-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে এটা বেশি উত্তম। আর তিনি তোমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সূরা বকারা, আয়াত: ২৭১)।

গোপনে দানকারী কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের নীচে ছায়া লাভ করবে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কিয়ামত দিবসে সাত শ্রেণীর মানুষ আরশের নীচে ছায়া লাভ করবে।… তম্মধ্যে এক শ্রেণী হচ্ছে,

وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَأَخْفَاهَا حَتَّى لَا تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا تُنْفِقُ يَمِينُهُ

‘এক ব্যক্তি এত গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কী দান করে বাম হাত জানতেই পারে না।’ (বুখারী ও মুসলিম)

দান-সদকা গুনাহ মাফ করে ও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচায়: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হে কা‘ব বিন উজরা! সালাত (আল্লাহর) নৈকট্য দানকারী, সিয়াম ঢাল স্বরূপ এবং দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে।’ (আবু ইয়ালা, সনদ ছহীহ)। 

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ

‘খেজুরের একটি অংশ দান করে হলেও তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা কর।’ (বুখারী ও মুসলিম)।

মানুষ কিয়ামতে দান-সদকার ছায়াতলে থাকবে: উক্ববা বিন আমের (রা.) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘নিশ্চয় দান-সদকা দানকারী থেকে কবরের গরম নিভিয়ে দিবে। আর মু’মিন কিয়ামত দিবসে নিজের সদকার ছায়াতলে অবস্থান করবে।’ (ত্ববরানী, বাইহাক্বী, সনদ ছহীহ)।

লোক দেখানোর জন্য দান: কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক মানুষ এমন আছে, যারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে দান করে এবং তা মানুষকে দেখানোর জন্য। মানুষের ভালবাসা নেয়ার জন্য। মানুষের প্রশংসা কুড়ানোর জন্য। মানুষের মাঝে গর্ব অহংকার প্রকাশ করার জন্য। অনেকে দুনিয়াবি স্বার্থ সিদ্ধির জন্যও দান করে থাকে। যেমন, চেয়ারম্যান বা এমপি নির্বাচনে জেতার উদ্দেশ্য দান করে। কিন্তু দান যদি একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না হয় তা দ্বারা হয়ত দুনিয়াবি কিছু স্বার্থ হাসিল হতে পারে কিন্তু আখেরাতে তার কোনো প্রতিদান পাওয়া যাবে না। হাদিছে কুদসীতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ বলেন,

أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيهِ مَعِي غَيْرِي تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ “

‘আমি শির্ক কারীদের শিরক থেকে মুক্ত। যে ব্যক্তি কোনো আমল করে তাতে আমার সঙ্গে অন্যকে শরীক করবে, তাকে এবং তার শির্কী আমলকে আমি পরিত্যাগ করব।’ (মুসলিম)।

বরং যারা মানুষের প্রশংসা নেয়ার উদ্দেশ্যে দান করবে, তাদের দ্বারাই জাহান্নামের আগুনকে সর্বপ্রথম প্রজ্বলিত করা হবে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘সর্বপ্রথম তিন ব্যক্তিকে দিয়ে জাহান্নামের আগুনকে প্রজ্বলিত করা হবে।… তম্মধ্যে (সর্ব প্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির, আল্লাহ যাকে প্রশস্ততা দান করেছিলেন, দান করেছিলেন বিভিন্ন ধরনের অর্থ-সম্পদ। তাকে সম্মুখে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত রাজীর পরিচয় করাবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তখন তিনি প্রশ্ন করবেন, কী কাজ করেছ এই নেয়ামত সমূহ দ্বারা? সে জবাব দিবে, যে পথে অর্থ ব্যয় করলে আপনি খুশি হবেন এ ধরনের সকল পথে আপনার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে অর্থ-সম্পদ ব্যয় করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। বরং তুমি এরূপ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, তোমাকে বলা হবে, সে দানবীর। আর তা তো বলাই হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে। তখন তাকে মুখের ওপর উপুড় করে টেনে-হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’ (মুসলিম)।

আত্মীয়-স্বজনকে দান করা: সালমান বিন আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মিসকিনকে দান করলে তা শুধু একটি দান হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু গরীব নিকটাত্মীয়কে দান করলে তাতে দ্বিগুণ সওয়াব হয়। একটি সদকার; অন্যটি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার।’ (নাসাঈ, তিরমিযী)

দান-ছাদকা করে খোঁটা দেয়া: মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা বলেন,

يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى

‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা খোঁটা দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান-খায়রাতকে বরবাদ করে দিও না।’ (সূরা বাকারা- ২৬৪)

আবু যর (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘কিয়ামত দিবসে আল্লাহ পাক তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। আবু যার (রা:) বললেন, ওরা ধ্বংস হোক ক্ষতিগ্রস্ত হোক- কারা তারা হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, ‘টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে যে কাপড় পরিধান করে, দান করে যে খোঁটা দেয় এবং মিথ্যা শপথ করে যে ব্যবসায়ী পণ্য বিক্রয় করে।’ (মুসলিম)

কৃপণের পরিণতি: কৃপণতা একটি নিকৃষ্ট বিষয়। কৃপণতা থেকে মনের মাঝে হিংসা সৃষ্টি হয়। এ কারণে মানুষ লোভী হয়। ফলে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং সম্পদের লোভে যেকোনো ধরণের অন্যায় ও অবৈধ কাজে পা বাড়ায়। এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ বিষয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন। তিনি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কৃপণতা ও লোভ থেকে সাবধান! কেননা পূর্ব যুগে এই কারণে মানুষ রক্তের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, মানুষকে খুন করেছে এবং নানা প্রকার পাপাচার ও হারাম কাজে লিপ্ত হয়েছে।’ (আবু দাউদ, হাকেম)। 

এজন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কৃপণতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি দোয়ায় বলতেন, ‘হে আল্লাহ তোমার কাছে কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।..’ (মুসলিম)।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন