ব্রেকিং:
নওগাঁয় ১৫টি সাউন্ড বোমা, ৯টি ককটেল ও জিহাদী বইসহ ৬ শিবির ক্যাডার গ্রেফতার

মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬   ১৫ সফর ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
৮৬

জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০১৯  

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভীতিকর আকার ধারণ করেছে। শিশু, বয়স্ক, নারী-পুরুষ সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ভিড়। যেসব হাসপাতাল শয্যার বাইরে রোগী ভর্তি করে না, তাদের পক্ষে নতুন আক্রান্ত রোগীকে ভর্তি করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এটিই এখন বাস্তব চিত্র।  এ বছর ডেঙ্গুর ধরন পাল্টেছে। এ কারণে রোগী, তাদের স্বজন এমনকি চিকিৎসকরাও শুরুতে ডেঙ্গু শনাক্ত করতে পারছেন না। আগে ডেঙ্গুজ্বরের অন্যতম লক্ষণ ছিল শরীরে র‌্যাশ থাকা। কিন্তু চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের শরীরে র‌্যাশ দেখা যাচ্ছে না। জ্বর হওয়ার পর চিকিৎসকরা বুঝতে পারছেন না। এমনকি ব্যথাও ততটা প্রকট নয়। হেমোরেজিক ডেঙ্গু এবার বেশি হচ্ছে। রক্তের প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে। রক্তপাতের ঝুঁকি বেশি থাকায় বেশি মৃত্যু হচ্ছে। এই ডেঙ্গুতে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি, লিভার, ফুসফুস ও হার্ট আক্রান্ত হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা অকার্যকরও হয়ে পড়ছে। ডেঙ্গুবাহিত এডিস মশা শরীরে কামড় দেওয়ার পর রক্তের মনোসাইটে অনিয়ন্ত্রিতভাবে জীবাণু বংশবিস্তার করে। প্রবাহমান রক্তের মাধ্যমে জীবাণু হার্ট, লাং, লিভার ও কিডনিতে প্রবেশ করে অধিক হারে বংশবিস্তার করে এসব গুরুত্বপূর্ণ কোষের কার্যকারিতা নষ্ট করে। বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কোষঝিল্লিতে আক্রমণ করে প্রদাহের সৃষ্টি করে। কিডনির মূত্র উৎপাদনের কার্যকারিতা হ্রাস পায় এবং লিভার ফেইলিওর হয়। ডেঙ্গু হার্টের মাংসপেশির বলয় ভেঙে সেখানে আক্রমণ করে কার্যকারিতা হ্রাস করে। এ ছাড়া ডেঙ্গুর সেরোটাইপ আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিস্কে আক্রান্ত করে তীব্র প্রদাহের সৃষ্টি করে। এসব রোগী যথাসময়ে চিকিৎসা না পেলে তাদের মৃত্যু হতে পারে। দ্বিতীয়বারের মতো কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে তার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ঋতুবতী নারীদের ডেঙ্গু হলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ এটি তাদের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। নারীদের দেখা গেল পিরিয়ডের সময় হয়নি কয়েকদিন আগেই ব্লিডিং শুরু হয়ে গেল। অথবা জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্লিডিং শুরু হলো। কিংবা পিরিয়ড চলা অবস্থায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলো; কিন্তু তার ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না। পিরিয়ডের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও ব্লিডিং বন্ধ হচ্ছে না। এসব ক্ষেত্রে বিশেষ লক্ষ্য রাখা জরুরি। কেননা এটা ঝঁকিপূর্ণ। থেমে থেমে বৃষ্টিপাত ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই প্রকোপ আগামী দুই মাস আরও বাড়তে পারে। তাই জ্বর অনুভব করলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ সেবন করতে হবে।
নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর