রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ২ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ জনের রাণীনগরে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙ্গে কৃষকের ৫টি গরু চুরি পোরশায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু রাণীনগরে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় তরুন তরুনীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত গনসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের র‌্যালী সাপাহারে জনসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা রাণীনগরে গাঁজাসহ আটক ২ নওগাঁ ১১ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত, ৮ জন চিকিৎসাধীন আত্রাই থানা পুলিশের সচেতনতা মূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে গনসচেতনতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালী অনুষ্ঠিত সাপাহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মশক নিধন লিফলেট বিতরণ ৬ দফা দাবিতে নওগাঁ প্রেসক্লাবে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন মান্দায় ‘মাদক ও ইভটিজিং সচেতনতা কার্যক্রম’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
১২

জুলাইতে প্রবাসী আয় এসেছে ১৬০ কোটি ডলার

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০১৯  

ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে ব্যাংকিং চ্যানেল বেড়েছে প্রবাসীদের আয় বা রেমিটেন্স প্রবাহ। সদ্য সমাপ্ত জুলাই মাসে প্রবাসীরা ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.২০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে প্রবাসীরা ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের মাস জুলাইতে ছিল ১৩৬ কোটি ৮২ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ২২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে বেশি এসেছে। ঈদ সামনে থাকায় রেমিট্যান্স বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদ উৎসবে মানুষের বাড়তি খরচ হয়। সামনে ঈদ অনেকে কোরবানির পশু কিনবে তাই বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে হুন্ডিতে রেমিট্যান্স আসা কমেছে। এসব কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা সবচেয়ে বেশি আহরিত হয়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। এ ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ কোটি ৭৭ লাখ, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২ কোটি ৩৬ লাখ এবং বিদেশি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার।

এদিকে, একক ব্যাংক হিসেবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩০ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। রেমিট্যান্স আহরণে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার। এছাড়া, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ কোটি ১২ লাখ ডলার, জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। 

রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। এছাড়া ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। এছাড়া সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিল প্রবাসীরা। যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭.৩ শতাংশ বেশি।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর