ব্রেকিং:
পোরশার হাপানিয়া সীমান্ত থেকে সাত বাংলাদেশীকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটের আগ্রাদ্বিগুন বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ পুলিশ নিহত ধামইরহাটের গকুল গ্রাম থেকে গলায় ফাঁশ দেওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
১২

চার মাসেই ৬০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৯  

নগদ প্রণোদনা ও ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নে আগের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। ফলে চলতি অর্থবছরের চার মাসেই ৬০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে রেমিট্যান্স। এই চার মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে ২০ শতাংশ। এর মধ্যে গত অক্টোবর মাসেই রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা একক মাস হিসেবে এ যাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর গত অর্থবছরের অক্টোবরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ। এ ছাড়া আগের মাস সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে সাড়ে ১১ শতাংশের মতো রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য বাজেটে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ১ জুলাই থেকেই এই প্রণোদনা কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত নীতিমালা ঘোষণা করেছে গত ৬ আগস্ট। যদিও অর্থছাড় জটিলতার কারণে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নগদ প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে অক্টোবরের শুরুতে এই জটিলতা কাটায় ৭ অক্টোবর থেকে সুবিধাভোগীদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ শুরু করেছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আগের মাস সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরের অক্টোবর মাসে এসেছিল মাত্র ১১৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। সব মিলে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর—এই চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১০৪ কোটি ২৪ লাখ ডলার বা ২০.৪০ শতাংশ।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, নগদ প্রণোদনা দেওয়ার খবরে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আসছেন প্রবাসীরা। যেমন : চলতি অর্থবছরের জুলাইতে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা; যা গত অর্থবছরের জুলাই মাসে ছিল ১৩১ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এরপর গত আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে; যা গত অর্থবছরের আগস্টে ছিল ১৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে এক হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এই অঙ্ক আগের বছরের (২০১৭-১৮) চেয়ে ৯.৬ শতাংশ এবং অতীতের যেকোনো বছরের চেয়ে বেশি ছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক বছরে এই পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। এর আগে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ১৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর