রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ২ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৮ জনের রাণীনগরে গোয়াল ঘরের তালা ভেঙ্গে কৃষকের ৫টি গরু চুরি পোরশায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু রাণীনগরে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় তরুন তরুনীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত গনসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের র‌্যালী সাপাহারে জনসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা রাণীনগরে গাঁজাসহ আটক ২ নওগাঁ ১১ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত, ৮ জন চিকিৎসাধীন আত্রাই থানা পুলিশের সচেতনতা মূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে গনসচেতনতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালী অনুষ্ঠিত সাপাহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মশক নিধন লিফলেট বিতরণ ৬ দফা দাবিতে নওগাঁ প্রেসক্লাবে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন মান্দায় ‘মাদক ও ইভটিজিং সচেতনতা কার্যক্রম’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
৫৫৫

ঘুর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে নওগাঁর বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ মে ২০১৯  

ঘুর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে অবিরাম বৃষ্টি ও ঝড়ের কারেন নওগাঁর ১১ উপজেলায় বোরো আবাদের কম-বেশী ক্ষতি হয়েছে। পাকা ও আধা পাকা ধান ঝড়ের কারণে মাটিতে পড়ে যাওয়ায় ধানের ফলন ও ধান কাটতে শ্রমিকের মূল্য দ্বিগুন হওয়ার আশংকায় কৃষকগণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

তবে কৃষি বিভাগ বলছে ধানের ফলনের তেমন কোন ক্ষতি হবেনা। জেলার ১১ উপজেলায় এবার ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। চাল উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ১৬৫ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে মাঠের প্রায় ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেছে। অথচ কৃষি শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকেরা তাঁদের মাঠ থেকে পাকা ধান কাটতে পারছেন না।

এখন পর্যন্ত মাত্র২০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। এর মধ্যে ঘূর্নিঝড় ফণীর প্রভাবে গত দুই দিন ধরে জেলায় অবিরাম বৃষ্টি সেই সাথে ঝড়ো হাওয়ায় পাকাধান গুলো হেলে পড়েছে। কোথায় মাটির সাথে নুইয়ে পড়েছে। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটান ঝড়ো বৃষ্টি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ঝড়ে এলাকায় গাছ পালা,কাচাবাড়ী ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন।

এদিকে শেষ মুর্হুতে ধান ঘরে তোলার আগে ঘুর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে মাঠের অধিকাংশ ধান মাটিতে শুয়ে পড়ে। এব্যাপারে নওগাঁর ধামইরহাট পৌরসভার হাটনগর গ্রামের কৃষক ধিরেন পাহান বলেন, ধান মাটিতে পড়ে যাওয়ার ফলন কিছুটা কম হবে। তাছাড়া জমির পানি২/১ দিনের মধ্যে বের না হলে অনেক ধান পঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালঝাড়ী গ্রামের কৃষক নিমাই শীল ও গণেশ শীল বলেন, ঘুর্ণিঝড়ের আগে প্রতিমণ ধানকাটতে কামলারা ৫/৬ কেজি ধান নিতো এখন ধানগাছ মাটিতে পড়ে যাওয়ায় প্রতি মণে ১০ কেজি করে দাবী করছে।

এ ব্যাপারে নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মোঃমাসুদুর রহমান বলেন, ঝড়ের কারণে ধান গাছ মাটিতে পড়ে গেলেও ফলন কম হওয়ার সম্ভাবনা নেই। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ধানের ফলন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কৃষকদেরকে পড়ে যাওয়া ধানগাছগুলো আখ ক্ষেতের মতো ৮/১০ ধানগাছ বেঁধে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে পড়ে যাওয়ায় ধান কাটতে বেশি শ্রমিক নিয়োগ করতে হবে। সেক্ষেত্রে খরচ বেড়ে যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর