সোমবার   ৩০ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৬ ১৪২৬   ০৫ শা'বান ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
১৮

করোনাভাইরাসের মধ্যেও বিএনপি নেতার ইয়াবা ব্যবসা, সমালোচনার ঝড়

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

করোনাভাইরাস ইস্যুতে সরকার যখন এর সংক্রমণ প্রতিরোধে নিরলসভাবে পরিশ্রম করছে, তখন বিএনপি তার পুরনো পথেই হাঁটছে। যারই ধারাবাহিকতায় ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুরের ছেলে হিমেল মল্লিকসহ দু’জনকে ইয়াবাসহ আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বিশিষ্টজনদের অভিমত, দেশের অবস্থা যাই হোক বিএনপি তার নিজস্ব আদর্শে অটুট থেকে নিজেদের আখের গোছাতে থাকে। এটা তাদের পুরনো অভ্যাস।

দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কৌশলে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন রকম মাদকের ব্যবসা করে আসছিল ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নিয়ন্ত্রিত একটি গ্রুপ। আর এর নেতৃত্ব দিচ্ছিল মনিরুল ইসলামের ছেলে হিমেল। পুলিশসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অনেকদিন ধরেই চক্রটিকে ধরতে চেষ্টা করে আসছিল। অবশেষে রোববার (২২ মার্চ) সকাল ৯টায় ঝালকাঠির পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকা থেকে তাদের আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সানোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার দারোগা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জেলা বিএনপি সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নূপুরের ছেলে হিমেল মল্লিককে (২৬) ১৫ পিস ইয়াবাসহ আটক হয়। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে শহরের বাস্তুহারা এলাকা থেকে মো. আলম (৪৫) নামে এক মাদক বিক্রেতাকে ১০টি ইয়াবাসহ আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে বাংলানিউজ ব্যাংকের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নূপুরের সঙ্গে। তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, কোনভাবেই তার ছেলে এসব কাজে যুক্ত নয়। হয়তো অন্তঃকোন্দলের জেরে কেউ এমনটা করেছে। এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এ বিষয়ে দেশের বিশিষ্টজনরা বলছেন, দেশের খারাপ সময় কিংবা দুর্যোগ-কখনই বিএনপি জনগণের পাশে ছিলো না। এখনও নেই। যার প্রমাণ ইয়াবাসহ ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুরের ছেলে হিমেল মল্লিকসহ দু’জন আটক। মূল ব্যাপার হচ্ছে, বিএনপি নিজেদের লাভ ছাড়া জনগণের কথা ভাবে না, ভাবলে তারা কখনোই দুর্নীতি ও মাদক কারবারে জড়িত হতো না। এ থেকে সহজেই অনুমেয়, বিএনপির রাজনৈতিক মতাদর্শ কতোটা জনবিরোধী ও অস্বচ্ছ।

নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর