ব্রেকিং:
নওগাঁর মহাদেবপুরে বিএনপির সম্মেলনে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০, আটক ৫

মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১২ রবিউস সানি ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বুয়েটের ২৬ জন শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার ও ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে বুয়েটে প্রশাসন
১০০২

একজন সাধন চন্দ্র হয়ে উঠার গল্প

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০১৯  

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। এ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে গতকাল শপথ নিয়েছেন নওগাঁর কৃতী সন্তান সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় দীর্ঘ ১০ বছর সংসদ সদস্য থাকায় তার নির্বাচনী এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মী সু-সংগঠিত ও এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তাঁর মন্ত্রী হওয়ার পিছনে এই বিষয়গুলিই প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার) আসনের সংসদ সদস্য।

এলাকার প্রথম মন্ত্রী সাধন মজুমদার। একটি নিম্ন মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্ম সাধন চন্দ্র মজুমদারের। স্কুলশিক্ষক বাবা মারা যাওয়ার পর কৃষিজমি চাষাবাদ ও ধান-চালের আড়তের ব্যবসার করে সংসার চালান তিনি। কৃষিকাজ ও আড়তের ব্যবসা চালিয়ে যান এমপি হওয়ার আগ পর্যন্ত। সাধন চন্দ্র মজুমদার নওগাঁ সরকারি কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। কলেজ জীবন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬৭ সালে তিনি ছাত্রলীগের সদস্য হন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন প্রাথমিক সদস্য থেকে শুরু করে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। সাধন চন্দ্র মজুমদারের প্রথম জনপ্রতিনিধি হওয়া ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৯০ সালে তিনি নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর সাংসদ, আর এবার মন্ত্রী। এভাবেই একজন সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র হয়ে উঠলেন।

উল্লেখ্য, খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা হিসেবে পরিচিত নওগাঁ। একেবারে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া এবারের মন্ত্রিসভার অন্যতম চমক।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর