ব্রেকিং:
পোরশার হাপানিয়া সীমান্ত থেকে সাত বাংলাদেশীকে আটক করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ

রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
ধামইরহাটের আগ্রাদ্বিগুন বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ পুলিশ নিহত ধামইরহাটের গকুল গ্রাম থেকে গলায় ফাঁশ দেওয়া এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
১৮৬

আমবাগানে করলা চাষ, রোজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

সাপাহারের কৃষকরা নিজের হাইব্রিড আমবাগানে সাথি ফসল হিসেবে করলা চাষ করছেন কয়েক বছর ধরে। গাছের ফাঁকে ফাঁকে চাষ করা এসব করলা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি ঢাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। করলাকে কেন্দ্র করে সেখানে একটি অস্থায়ী বাজারও গড়ে উঠেছে। যেখানে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টন করলা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার করলা চাষিদের সেন্টার হিসেবে সাপাহার-তিলনা পাকা সড়কের বাহাপুর মোড়ে গড়ে উঠেছে প্রতি দিনের জন্য তিন-চার ঘণ্টার অস্থায়ী বাজার। ভোর হলেই বিভিন্ন এলাকার চাষিরা তাদের উৎপাদিত করলা নিয়ে চলে আসে এই বাজারে এবং ক্রেতারা তাদের কাছ থেকে নিয়ে ট্রাকযোগে সকাল ১০টার মধ্যেই রওনা হয়ে যায় নিজ গন্তব্যে।

বর্তমানে প্রতি মণ করলা হাজার টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে ওই অস্থায়ী বাজারে। প্রতিবছর আগষ্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের ১৫/২০ তারিখ পর্যন্ত চলে এই মৌসুমি অস্থায়ী বাজার।

করলার অস্থায়ী এই বাজারে এসে ঢাকার কারওয়ান বাজারের আনোয়ার হোসেন নামের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, সাপাহারের করলার গুণগত মান ভালো এবং এখান থেকে করলা কিনে ভালো লাভ হওয়ায় তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সরবরাহ করছেন।

করলা চাষি উকিলবাবু, আনারুল, ছয়ফুল ও আব্দুল মালেক জানান, অস্থায়ীভাবে উপজেলার বাইরে এই স্থানে করলার বাজার গড়ে না উঠলে এখানকার করলা চাষিরা এই হারে করলা চাষাবাদ করত না। অস্থায়ী ওই বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, প্রতিদিন এই অস্থায়ী বাজার থেকে ১০০ থেকে ১৫০ টন করলা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হয়ে থাকে।

উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার আতাউর রহমান সেলিমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, কয়েক বছর ধরে করলা চাষ এ উপজেলায় চাষিদের মাঝে এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার অনেকেই এখন দেশি, হাইব্রিড, সোনামুখীসহ বিভিন্ন জাতের করলা চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন।

এ বছর উপজেলায় ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা জমিতে করলা চাষ হয়েছে।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর