শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২১ মুহররম ১৪৪১

নওগাঁ দর্পন
সর্বশেষ:
পত্নীতলায় আদিবাসী প্রেমিক যুগলের লাশ উদ্ধার চাকুরির প্রলোভনে মান্দার মেয়েকে ঢাকায় ধর্ষণ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া বোয়িং (৭৮৭-৮) ড্রিমলাইনার গাঙচিল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধামইরহাটে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের জেল ও জরিমানা আত্রাইয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা মূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপাহারে পরিস্কার অভিযান সাপাহার ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত আত্রাই থানা পুলিশের অভিযানে ৯জন আটক গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে নিয়ামতপুরে আলোচনা সভা সাপাহারের করল্যা চাষে বিপ্লব
২৯

অজান্তেই ফরিদপুর জেলা কমিটি বিলুপ্ত, নেতাদের ক্ষোভ!

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ফরিদপুর জেলা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। যা নিয়ে নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা বলছেন, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই কিন্তু পূর্ব ঘোষণা ছাড়া কমিটি ভেঙে দেয়া দলীয় শৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজ। যা ঘোরতর অন্যায়।

জানা গেছে, বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফরিদপুর জেলা কমিটি বিলুপ্তের তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরিদপুর জেলায় দ্রুত বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল হক ওরফে শাহজাদা মিয়া বলেন, লন্ডনে অবস্থানকারী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে স্কাইপে যোগাযোগ মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা বিএনপি নিয়ে সম্প্রতি আমরা সংলাপ বিনিময় করি। ওই সংলাপে জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শহীদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ওরফে ইছা, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক জুলফিকার হোসেন ওরফে জুয়েলসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। কমিটি ভেঙে দেয়া বিষয়ে কথা হলেও তা সময় সাপেক্ষ বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। কিন্তু হঠাৎ কাউকে না জানিয়ে রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সই করা একটি চিঠিতে জানতে পারলাম কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছ। এটা কেমন আচরণ হলো তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না।

তারেক রহমানের সঙ্গে চলা দুই ঘণ্টাব্যাপী ওই সংলাপে অংশগ্রহণ-কারীদের সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির নেতারা বিগত সময়ের আন্দোলন সংগ্রামে নিজ নিজ ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। তাদের বক্তব্যের সমর্থনে সংবাদপত্রে প্রকাশিত ছবি ও সংবাদ কাটিং প্রদর্শন করেন। দীর্ঘ সময়ব্যাপী এ সংলাপ চলাকালে জেলা নেতৃবৃন্দ মাঝে মধ্যেই একে অপরের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।

এমন প্রেক্ষাপটে সভাপতি জহিরুল হকে পক্ষের নেতা জেলার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক জুলফিকার হোসেন ওরফে জুয়েল বলেন, আমার মনে হয় যাদের সঙ্গে ওই বৈঠকে বাদানুবাদ হয়েছিলো তারা কেন্দ্রকে ম্যানেজ করে কমিটি ভাঙার ইন্ধন দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে আমরা এও সন্দেহ করছি যে, নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে আমাদের স্থান দেয়া হবে না। বিষয়টি পুরো সিন্ডিকেটের হাতে চলে গিয়েছে। যা অত্যন্ত লজ্জার। আমরা এর প্রতিবাদ জানাবো।

নওগাঁ দর্পন
নওগাঁ দর্পন
এই বিভাগের আরো খবর